শিশুরা দুর্বল, অপরিপক্ক, যথাযথ প্রতিবাদ করতে সক্ষম নয়, সহজেই ভুলিয়ে-ভালিয়ে বশে আনা যায়। শিশুদের প্রতি এই সকল ধারনা থেকে বিশেষ এক শ্রেণির মানুষ শিশুদের যৌন হয়রানির জন্য সহজ শিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে এই ঘটনা একদিনে ঘটে না। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুরা বুঝতেই পারেনা সে যৌন হয়রানির শিকার হতে চলেছে। কারণ শিশুরা জানেনা যৌন হয়রানি কী? এখানে শিশুদের সচেতনতার একটা বড় অভাব লক্ষ্য করা যায়। বাবা-মা অভিভাবকগণ এই বিষয়ে শিশুদের সাথে স্বাচ্ছন্দে আলোচনা করতে পারে না।
এই ভিডিওতে “যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন, অ্যাবিউস বা ধর্ষণ” এ ধরনের কোন শব্দ উচ্চারণ করা হয়নি। শুধুমাত্র যৌন হয়রানিকারীর কৌশলের বিবরণ ও তার প্রতিকার বা লক্ষন বিবেচনায় করণীয় বিষয়ে শিশুদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা একজন অভিভাবকও স্বাচ্ছন্দে করতে পারেন। ৩-৫ মিনিটের একটি ক্লাসের মাধ্যমে উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বা না-করে, যৌন হয়রানি রোধে শিশুদের সচেতন ও সক্ষম করে তোলা সম্ভব।
পাশাপাশি, অভিভাবকদের সচেনতন হতে হবে। আমার সন্তানের সাথে কে মিশছে বা কে অতিরিক্ত আন্তরিকতা দেখাচ্ছে, অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এই বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে। দিনে দিনে শিশুদের সাথে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বাবা-মা/অভিভাবকই এই কাজটি সহজে করতে পারেন।
আমাদের সকল ভিডিও’র বিষয়বস্তু বিগত কয়েক বছরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন কৌশলে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির’র ধরন বিশ্লেষণের আলোকে নির্মিত। আপনার মন্তব্য লিখতে ভুলবেন না। পরবর্তী ভিডিও “ফাঁদ” আমাদের সাথে থাকতে চ্যানেলটি সাব্সক্রাইব করুন।
total views : 171