জীবন দক্ষতা বিবরণ

জীবন দক্ষতার ধরন

কোর্সের তালিকা

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

ডেঙ্গু জ্বর, নাকি করোনা পজিটিভ-কীভাবে বুঝবেন

কোভিড আর ডেঙ্গু হাতে হাত রেখে তাণ্ডব চালাচ্ছে। তাই করোনার সময় যদি তীব্র জ্বর ও মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন, ডেঙ্গুর কথা ভুলে যাবেন না। বর্ষায় ঢাকাসহ বড় বড় শহরের জলাবদ্ধতায় হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু। কেননা, জমাটবদ্ধ পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য সেরা জায়গা। জেনে নেওয়া যাক করোনা আর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলোর মিল–অমিল।

করোনা আর ডেঙ্গু—দুটিই মূলত ভাইরাসজনিত জ্বর (ভাইরাল ফিভার)। দেড় বছর ধরে চলছে করোনাকাল। আর বর্ষা মৌসুমে বাড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আর এবারের বর্ষায় যেন ডেঙ্গু ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। প্রতিদিন করোনা ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শত শত মানুষ। জ্বর, মাথাব্যথা ও শরীরে ব্যথার মতো লক্ষণ থাকলে আপনার করোনা বা ডেঙ্গু অথবা করোনা ও ডেঙ্গু—দুটিই হতে পারে।

কোভিড ও ডেঙ্গু—দুই ধরনের সংক্রমণেই জ্বর থাকবে। জ্বরের মাত্রার তারতম্য হতে পারে। জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, গা ম্যাজম্যাজ করা, ক্ষুধামান্দ্যর মতো প্রাথমিক উপসর্গ থাকে দুটিতেই। করোনা বারবার ধরন পাল্টাচ্ছে, তাই উপসর্গও বদলে যাচ্ছে। কখনো তীব্র অরুচি আর স্বাদহীনতা প্রকট হয়ে দেখা দেয়। কখনো উপসর্গ বলতে কেবল ডায়রিয়া আর জ্বর। কখনোবা কেবল মাথাব্যথা। করোনায় অনেকে ঘ্রাণ পায় না। ডেঙ্গু জ্বরে ঘ্রাণ থাকবে।

তবে করোনায় এখনো জ্বরের সঙ্গে শরীরে ফুসকুড়ি আর দাঁত-নাক বা অন্য জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ হয়নি। রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা কমে যেতে পারে; এটাও কেবল ডেঙ্গুতেই হয়। আবার দ্রুত অক্সিজেনের লেভেল কমে যাওয়া ও শ্বাসকষ্ট হওয়া করোনার প্রকট লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। ডেঙ্গুতে এসব লক্ষণ বিরল। হয় না বললেই চলে। করোনার টিকা থাকলেও ডেঙ্গুর কোনো টিকা নেই। যেহেতু ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের, তাই একই সঙ্গে চারটি ভাইরাসের প্রতিরোধে কাজ করে—এমন টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।

সাধারণ লক্ষণগুলো থাকলেই সবার আগে করোনা আর ডেঙ্গু—দুটিরই পরীক্ষা করাতে হবে। চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসে মূলত দুই ধরনের জ্বর হয়। ক্লিনিক্যাল ডেঙ্গু জ্বর ও হেমোরেজিক ফিভার। ডেঙ্গু জ্বর অন্যান্য ভাইরাল ফিভারের মতো নিজে থেকেই সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ভয়াবহ হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ ১০৪ থেকে ১০৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। চরম বিষাদগ্রস্ততা দেখা দিতে পারে। অরুচি, বমি বমি ভাব এবং ত্বক লাল হতে পারে। এ জ্বর ৩ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। শরীরের চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ত্বকে রক্তক্ষরণজনিত উপসর্গ দেখা যায়।


সংশ্লিষ্ট ভিডিও