আত্মরক্ষার কৌশল জানা থাকলে যে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে। এর জ্বলন্ত উদাহরণ হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সাঁইথিয়ার কিশোরী প্রিয়াঙ্কা সিং। স্যালুট জানাতেই হয় এই কিশোরীকে। মার্শাল আর্টের একটি কৌশল তায়কোয়ান্দো জানা এই কিশোরী সম্প্রতি কয়েকজন উত্ত্যক্তকারীকে উচিত শিক্ষা দেয়। গালে চড় আর নাকের তলায় একেবারে মোক্ষম ‘ঘুষি’। উপর্যুপরি কয়েকটা লাথি মেরে রাস্তাতেই কুপোকাত করেন বখাটেদের। আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে ওই কিশোরী বলে, ‘নিজের সামর্থ্য কতটা জানি। তাই ভয় পাইনি। বিশ্বাস ছিল, ওই তিন ছেলেকে একাই ঘায়েল করতে পারব। করে দেখিয়েও দিয়েছি। যে মার মেরেছি, পাঁচবার ভাববে।’ আসলেই বখাটেদের, যৌন হেনস্তাকারীদের বোঝানোর জন্য এখন নারীদেরও ভাবতে হবে। পত্রিকা খুললেই হয় ধর্ষণ, না হয় যৌন হয়রানির খবর। এমন ভয়াবহ খবর পাঠকের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকালও ছিল, আজও আছে। কালও এমন খবর একটি হলেও যে থাকবে, তা হলফ করে বলে দেওয়া যায়। আর কে না জানেন, পত্রিকায় নারী ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির যত খবর প্রকাশিত হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি ঘটনা বাস্তবে ঘটে। নারী ও মেয়ে শিশুদের নিগ্রহের ঘটনা যেন থামছেই না। পথে-ঘাটে, বাসে, গণপরিবহনে, জনবহুল জায়গা এমনকি শান্তির নীড় বাসাতেও প্রতিনিয়ত অজ্ঞাত বা আপনজনের দ্বারা নিগ্রহের শিকার হচ্ছে মেয়েরা। নিশ্চিন্তে একটি মেয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে—এ যেন হওয়ার নয়।
total views : 172