জীবন দক্ষতা বিবরণ

জীবন দক্ষতার ধরন

কোর্সের তালিকা

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

...
কোর্সের শিরোনাম

সময়কাল: 6 মাস

ফি: 15000টাকা

কোর্স সম্পর্কে সমস্ত বিবরণ

৫০ বছরে নারী শিক্ষার অগ্রগতি

দেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে মাত্র ৩৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে রাজধানীর সবুজবাগে যাত্রা শুরু করে কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তখন বিদ্যালয়টিতে ছাত্রী ছিল ১৭ জন। আশির দশকে এই স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০০ জনে উন্নীত হয়, ছাত্রীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক-তৃতীয়াংশে। কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল আলম প্রথম আলোকে জানান, এখন সেখানে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থীর ৪৯ শতাংশই ছাত্রী।

স্বাধীনতার পর প্রায় পাঁচ দশকে শিক্ষায় নারীরা যেভাবে এগিয়েছে, তার প্রতিচ্ছবিই যেন কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুল অ্যান্ড কলেজটি। তৎকালীন শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘অ্যানুয়াল রিপোর্ট অন পাবলিক ইন্সট্রাকশন ফর দ্য ইয়ার ১৯৭০-৭১’ প্রতিবেদন অনুসারে, তখন দেশের মোট শিক্ষার্থীর ২৮ শতাংশের কিছু বেশি ছিল ছাত্রী। সরকারের শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর হার প্রায় ৫১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকেও প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী ছাত্রী। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেয়েদের হার কিছুটা কম, ৩৮ শতাংশ।

সরকারি প্রতিবেদন, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতে, সরকারি সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের সচেতনতা এবং শিক্ষার মর্যাদা উপলব্ধি থেকে শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণের হার দিন দিন বাড়ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দা তাহমিনা আখতার প্রথম আলোকে বলেন, বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য, বখাটেদের উৎপাতসহ নানা কারণে মেয়েদের শিক্ষা ব্যাহত হলেও সার্বিকভাবে সাধারণ শিক্ষা ও পেশাগত শিক্ষা—মেডিকেল, প্রকৌশল এবং কারিগরি সব ক্ষেত্রে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের হার বেশি। উপবৃত্তিসহ নানা সুযোগ-সুবিধার কারণেও অনেক অভিভাবক মেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন।

১৯৭৩ সালে কদমতলা স্কুলটির প্রথম ভর্তি হওয়া ছাত্র ছিলেন ইয়াহিয়া সোহেল। তিনি এখন স্কুলের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান। প্রথম আলোকে বললেন, তাঁদের স্কুলে এলাকার দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের অনেক মেয়েও পড়ছে। দরিদ্র পরিবারগুলোও এখন মেয়েদের পড়ালেখা করার গুরুত্ব বুঝতে পারছে।


সংশ্লিষ্ট ভিডিও